রবিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:৩২ পূর্বাহ্ন
বিজ্ঞপ্তিঃ
দেশের সকল জেলা, থানা/উপজেলা/ইউনিয়ন এবং বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে "দি সকাল বিকাল " এ চীফ রিপোর্টার, স্টাফ রিপোর্টার ও প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে আগ্রহী প্রার্থীরা আজি যোগাযোগ করুন drsubratabogra@gmail.com । প্রিয় পাঠক আপনিও “দি সকাল বিকাল” নিউজকে পাঠাতে পারেন আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া অপ্রীতিকর ঘটনার কথা জানাতে পারেন আপনার অভিজ্ঞতা অথবা আপিও হতে পারেন একজন সাংবাদিক । দি সকাল বিকাল এর সাথে থাকার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ আমাদের সাথেই থাকুন
শিরোনামঃ
দেশের বেশিরভাগ এলাকায় কার্যকর হয়নি ইন্টারনেটের ‘এক দেশ এক রেট’ বি.এম.ডব্লু CE 04 : ১৩০ কিমি ড্রাইভিং রেঞ্জ সহ আত্মপ্রকাশ করল এই বৈদ্যুতিক স্কুটার জয়পুরহাটের বিটিভির জেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক মিন্টু সড়ক দুর্ঘটনায় আহত বিটিভি’র জয়পুরহাট জেলা প্রতিনিধি মিন্টু রোড এক্সিডেন্টে আহত জয়পুরহাটের কালাই এ শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম এর অনুমোদন জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে ৫ হাজার মেট্রিক টন এর অত্যাধুনিক সাইলো নির্মান ঢাকায় ডেকে দূরত্ব কমানোর ‘নির্দেশ’ কলকাতায় ভোট পরবর্তী হিংসায় বাংলাদেশি এবং রোহিঙ্গারা জড়িত, মোদীকে নালিশ শুভেন্দুর অধিকারী জয়পুরহাট হিলি মহাসড়ক ২ মাস না হতেই খারাপ অবস্থায় সাংবাদিক নির্যাতনের প্রতিবাদের রাজারহাটে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা

সিঙ্গাপুরে করোনা মোকাবেলায় ১ বছরের নেওয়া পদক্ষেপ ও সফলতা।

রিপোর্টারের নাম / ১১৮ বার
আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ১১ ফেব্রুয়ারী, ২০২১

মাহমুদ তপন সিঙ্গাপুর প্রতিনিধি ঃএকবছরে সিঙ্গাপুরে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৫৯২৬০ জন৷ এই পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়ে সুস্থ হয়েছেন ৫৯০১৫ জন৷ ৩৮ জন এখনো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন তাছাড়া ১৭৮ জন আইসোলেশন সুবিধায় আছেন৷ আর একবছরে সিঙ্গাপুরে করোনায় আক্রান্ত হয়ে ২৯ জনের মৃত্যু হয়েছে৷ সারাবিশ্বে এখনো করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। তবে সিঙ্গাপুর সেক্ষেত্রে সফল। করোনা মোকাবিলায় যেসব দেশগুলো সফল তারমধ্যে সিঙ্গাপুর একটি দেশ৷ আসুন জেনে নেই গত একবছর সিঙ্গাপুর কি কি পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে করোনা মোকাবিলায় সফল হলো, ১) শুরুতেই চায়না থেকে ফেরত ব্যক্তিদের ১৪ দিনের লিভ অব এবসেন্সে পাঠানো হয়। এই ১৪ দিন তারা বাসায় থাকবে। তাদেরকে পর্যবেক্ষণ করা হবে। যদি ১৪ দিনের মধ্যে শরীরে করোনাভাইরাসের লক্ষন দেখা না যায় তবেই কাজে যেতে পারবে৷ ২) প্রতিটি বাস, ট্রেন, ট্যাক্সি এমনকি শপিং মলের সিঁড়ি, লিফট ক্যামিকেল স্প্রে করে ভাইরাস মুক্ত করা হয়৷ ৩) স্থানীয় ও অভিবাসী প্রত্যেকের দৈনিক ২ বার শরীরের তাপমাত্রা চেক করা হয়৷ ৪) কারো সর্দি, কাশি, জ্বর অর্থাৎ ভাইরাসের লক্ষন দেখা দিলে আলাদাভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয় এবং পরীক্ষায় করোনাভাইরাস কনফার্ম হলে নিবিড় পর্যবেক্ষনে চিকিৎসা করা হয়৷ ৫) কোন এক গ্রুপের একজন বা কোন বাসার একজনের শরীরে করোনাভাইরাস পাওয়া গেলে সে পরিবার বা গ্রুপের সকলকে আলাদাভাবে ১৪ দিন কোয়ারেন্টাইনে পর্যবেক্ষণ করা হয়৷ যাতে করোনাভাইরাস ছড়াতে না পারে৷ ৬) করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের সরকারি খরচে চিকিৎসা দেওয়া হয়৷ ৭) কনস্ট্রাক ট্রেসের জন্য তারা ট্রেসটুগেদার নামে একটি অ্যাপ চালু করে৷ তাছাড়া এখন ব্লু-পাশ নামে কনট্রাক ট্রেসের জন্য ডিভাইস দেওয়া হয়েছে৷ যার মাধ্যমে করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তি কারো সংস্পর্শে গেলে খুব সহজেই কনট্রাক ট্রেস করে তাকে কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়। ৮) বিদেশ ফেরতদের বাধ্যতামূলক ১৪ দিনের স্টে হোম নোটিশ দেওয়া হয়৷ সর্বশেষ বিদেশ ফেরত সবাইকে সরকারি তত্ত্বাবধানে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হচ্ছে৷ এই ১৪ দিনের মধ্যে দুইবার সোয়াদ টেস্ট করে রেজাল্ট নেগেটিভ হলেই কাজে ফিরতে পারছে। এমনকি এখন ওয়ার্ক পাশ বা এস-পাশ হোল্ডার কেউ সিঙ্গাপুর ফিরলে তাকে ২১ দিন কোয়ারেন্টাইন থাকতে হচ্ছে৷ ৯) ডরমিটরিগুলোতে যাতে ব্যাপকহারে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়তে না পারে তারজন্য তারা ঝুকিপূর্ণ ডরমিটরিগুলোকে আইসোলেশন ঘোষণা করে। ১০) ডরমিটরিগুলোতে অস্থায়ী মেডিকেল বুথ গঠন করা হয়। যেখানে অভিবাসী কর্মীরা চিকিৎসা সেবা নিতে পারে৷ ১১)করোনাভাইরাসে আক্রান্তের চিকিৎসা সুবিধার জন্য এক্সপো, জাহাজ, আর্মি ক্যাম্প,হোটেল ও HDB ফ্লাটে অস্থায়ী বাসস্থান করা হয়। সেখানে শারীরিকভাবে সুস্থ তাদের পর্যবেক্ষণ করা হয়৷ ১২) মাস্ক পড়া বাধ্যতামূলক করা হয়৷ ১৩) নিরাপদ সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার ক্ষেত্রে কঠোর নির্দেশনা জারি করা হয়। ১৪) অভিবাসী কর্মীদের কর্মক্ষেত্রে ফিরে যাবার আগে করোনাভাইরাস পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করা হয়৷ ১৫) প্রত্যেক শ্রমিকদের জন্য তিনটি অ্যাপ ডাউনলোড করা বাধ্যতামূলক করা হয়। ১৬) ডরমিটরিগুলো করোনাভাইরাস মুক্ত করার প্রতি জোর দেওয়া হয়৷ এবং ডরমিটরিগুলোকে করোনামুক্ত ঘোষণা করা হয়। ১৭) যারা কাজে ফিরবে তাদেরকে প্রতি ১৪ দিন পরপর রুটিন রোস্টার টেস্টিং এর ব্যবস্থা করা হয়। ১৮) মেরিন সেক্টরে কর্মরতদের প্রতি সপ্তাহে রোস্টার টেস্টিং এর ব্যবস্থা করা হয়৷ ১৯) ডরমিটরিতে অবস্থানরত অভিবাসীদের জন্য কঠোর নির্দেশনা জারি করা হয়৷ তারা ডরমিটরি থেকে শুধুমাত্র কাজের সাইটে যেতে পারবে৷ আর সপ্তাহে একদিন রিক্রিয়েশন সেন্টারে যেতে পারবে৷ ২০) সর্বোপরি সিঙ্গাপুরকে করোনামুক্ত করার জন্য ভ্যাকসিন প্রদান শুরু করা হয়৷ এখন মেরিন সেক্টর ও বিমান সেক্টরে কর্মরতদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ভ্যাকসিন দেওয়া হচ্ছে৷ ধারাবাহিকভাবে এই বছরের মধ্যে সবাইকে ভ্যাকসিন দেওয়া হবে৷ সিঙ্গাপুর সরকার,বেসরকারি এনজিও, জনগন ও রাজনৈতিক নেতারা একসাথে কাজ করার কারনেই তারা করোনাভাইরাস মোকাবিলায় সফল।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

বিস্তারিত

Theme Created By ThemesDealer.Com