রবিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২১, ০৫:৩৬ অপরাহ্ন
Update News
সুখবর WhatsApp ইউজারদের জন্য আনন্দের সংবাদ… নতুন করে iQOO Z5x মিড রেঞ্জে আসছে, Dimensity 900 প্রসেসরের সাথে থাকবে 44W ফাস্ট চার্জিং সাপোর্ট সহ অনেক কিছুই সাবধান হোন সকলেই আগস্টে ২০ লক্ষেরও বেশি অ্যাকাউন্ট ব্যান করল WhatsApp বিএনপির সিরিজ বৈঠক ষড়যন্ত্রেরই একটি অংশ’ বললেন ওবায়দুল কাদের দেশের বেশিরভাগ এলাকায় কার্যকর হয়নি ইন্টারনেটের ‘এক দেশ এক রেট’ বি.এম.ডব্লু CE 04 : ১৩০ কিমি ড্রাইভিং রেঞ্জ সহ আত্মপ্রকাশ করল এই বৈদ্যুতিক স্কুটার জয়পুরহাটের বিটিভির জেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক মিন্টু সড়ক দুর্ঘটনায় আহত বিটিভি’র জয়পুরহাট জেলা প্রতিনিধি মিন্টু রোড এক্সিডেন্টে আহত জয়পুরহাটের কালাই এ শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম এর অনুমোদন জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে ৫ হাজার মেট্রিক টন এর অত্যাধুনিক সাইলো নির্মান
শিরোনামঃ
সুখবর WhatsApp ইউজারদের জন্য আনন্দের সংবাদ… নতুন করে iQOO Z5x মিড রেঞ্জে আসছে, Dimensity 900 প্রসেসরের সাথে থাকবে 44W ফাস্ট চার্জিং সাপোর্ট সহ অনেক কিছুই সাবধান হোন সকলেই আগস্টে ২০ লক্ষেরও বেশি অ্যাকাউন্ট ব্যান করল WhatsApp বিএনপির সিরিজ বৈঠক ষড়যন্ত্রেরই একটি অংশ’ বললেন ওবায়দুল কাদের দেশের বেশিরভাগ এলাকায় কার্যকর হয়নি ইন্টারনেটের ‘এক দেশ এক রেট’ বি.এম.ডব্লু CE 04 : ১৩০ কিমি ড্রাইভিং রেঞ্জ সহ আত্মপ্রকাশ করল এই বৈদ্যুতিক স্কুটার জয়পুরহাটের বিটিভির জেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক মিন্টু সড়ক দুর্ঘটনায় আহত বিটিভি’র জয়পুরহাট জেলা প্রতিনিধি মিন্টু রোড এক্সিডেন্টে আহত জয়পুরহাটের কালাই এ শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম এর অনুমোদন জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে ৫ হাজার মেট্রিক টন এর অত্যাধুনিক সাইলো নির্মান

পানি বাড়ায় রাণীনগরে বেকায়দায় দেড় হাজার মৎস্যজীবি

রিপোর্টারের নাম / ১৭৪ বার
আপডেট সময় রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২০

নিজস্ব প্রতিবেদক : নওগাঁর রাণীনগর-আবাদপুকুর রাস্তার হাতিরপুল নামকস্থানে রতনডারি খালের উপর নির্মামাধীন সেতুটি তুলনামূলক উচ্চতা না হওয়ায় খুব নিচু করে চলছে নির্মান কাজ। ফলে বন্যা আসার আগেই বর্ষার পানিতে সেতুর স্লাব (ছাদ) ছুঁই ছুঁই হয়ে পরাই খাল দিয়ে নৌকা চলাচল বন্ধ হয়ে পরেছে। এতে ওই এলাকার কয়েক গ্রামের মৎস্যজীবিরা পড়েছেন চরম বেকায়দায়।

জানাগেছে, রাণীনগর-আবাদপুকুর রাস্তার রাণীনগর সদর থেকে মাত্র তিন কিলোমিটার পূর্ব দিকে রতন ডারি খালের উপর ব্রিটিশ আমলে চুন-সুরকি দিয়ে একটি ব্রীজ নির্মান করা হয়। ব্রীজটি হাতির পিঠের ন্যায় হওয়ায় হাতিরপুল নামে পরিচিতি পায়। এরপর রাস্তাটি প্রথম পাকা করণের সময় হাতিরপুল ব্রীজটি মজবুত হওয়ায় ওই ব্রীজ রেখেই অন্যান্য ব্রীজ নির্মান করে স্থানীয় প্রকৌশল অধিদপ্তরের আওতায় রাণীনগর-আবাদপুকুর ১৪ কিলোমিটার রাস্তা পাকা করণ করা হয়।

দীর্ঘ দিন পরে রাস্তায় যান চলাচল বৃদ্ধি পাওয়ায় এবং জীবন মান উন্নয়ন ও ব্যবসা বাণিজ্যের প্রসার ঘটাতে রাণীনগর থেকে সরাসরি ঢাকার সাথে যোগাযোগের জন্য দু’বছর আগে এলজি ইডি থেকে রাস্তাটি সড়ক ও জনপথ বিভাগে হস্তান্তর করা হয়। এর পর গত ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে রাণীনগর থেকে আবাদপুকুর হয়ে কালীগঞ্জ পর্যন্ত ২২ কিলোমিটার রাস্তা প্রসস্থ্য ও মজবুত ভাবে পাকাকরণ এবং রাস্তার ২৬টি কালভার্ট ও চারটি ব্রীজ নির্মানসহ ১০৫ কোটি টাকা ব্যয় ধরে টেন্ডার দেয়া হয়। টেন্ডার শেষে ২০১৮ সালের শেষের দিকে ব্রীজ এবং কালভার্ট ভেঙ্গে নতুন করে নির্মান কাজ শুরু করেন সংশ্লিষ্ঠ ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান। এর মাঝখানে দীর্ঘ প্রায় দুই বছর অতিবাহিত হলেও এখন পর্যন্ত সেতু-কালভার্ট নির্মান ও রাস্তা পাকাকরণের কাজ শেষ করতে পারেনি।

এদিকে রাস্তার হাতিরপুল নামকস্থানে রতনডারি খালের উপর সেতু নির্মান কাজ শুরু করলে তুলনা মূলকভাবে নিচু হওয়ায় সেতুটি আরো উচঁ করে নির্মান করার জন্য পূণরায় আদেশ আসে। আদেশের প্রেক্ষিতে ঠিকাদার তিনফিট উচ্চতা বাড়িয়ে নির্মান কাজ শুরু করেন। কিন্তু এর পরেও সেতুটির উচ্চতা না হওয়ায় তুলনামূলক নিচু হওয়ায় বন্যা আসার আগেই বর্ষার পানি সেতুর স্লাব ছুঁই ছুঁই হয়ে পরেছে। ফলে খাল দিয়ে মৎস্যজীবি এবং ব্যবসায়ীদের নৌকা চলাচল বন্ধ হয়ে পরেছে। এতে চরম বেকায়দায় পরেছেন ব্যবসায়ী ও মৎস্যজীবিরা। স্থানীয়দের মতে,ওই এলাকায় রাস্তার দু’পাশে এক হাজারের অধিক মৎস্যজীবি রয়েছেন। রাস্তার দক্ষিন পার থেকে সেতুর নিচ দিয়ে নৌকা যোগে রক্তদহ বিলে মাছ আহরণ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। এছাড়া ঝিনা,আকনা,লোহাচুড়িয়া ও বড়গাছা এলাকার ব্যবসায়ীরা বর্ষার সময় খাল পথে নৌকা নিয়ে বগুড়ার সান্তাহার থেকে বিভিন্ন মালামাল পরিবন করে থাকেন। কিন্তু খালের উপর নির্মানাধীন সেতুটি একেবারে নিচু হওয়ায় বন্য আসার আগেই ভারী বর্ষনের পানিতে সেতুর তলা ছুঁই ছুঁই হয়ে পড়ায় নৌকা চলা চল বন্ধ হয়ে পরেছে। এতে কয়েক গ্রামের মৎস্যজীবি ও ব্যবসায়ীরা পরেছেন চরম বেকায়দায়।

রাণীনগর উপজেলা মৎস্যজীবি সমিতির সভাপতি প্রফল্য চন্দ্র এবং সম্পাদক আনোয়ার হোসেন বলেন,এই ব্রীজটি নির্মান শুরু করলে একদম নিচু হওয়ায় নৌকা চলাচল বন্ধ হয়ে পরছে দেখে আমরা ব্রীজটি আরো ৮/১০ ফিট উচুঁ করে নির্মানের দাবি জানাই। এতে কর্তৃপক্ষের লোকজন এসে পরিদর্শন করে ব্রীজের মাথা ভেঙ্গে মাত্র তিন ফিট উচ্চতা বাড়িয়ে ব্রীজ নির্মান শুরু করেছে। বিভিন্ন দপ্তরে ধর্ণা দিয়েও কোন ফল হয়নি। ফলে নৌকা চলাচল করতে না পারায় প্রায় দেড় হাজার মৎস্যজীবিরা চরম বেকায়দায় পরেছেন।

এব্যাপারে প্রজেক্ট ইঞ্জিনিয়ার মুনসুর রহমান বলেন, নকশা অনুযায়ী সেতু নির্মান করা হচ্ছে। এলাকাবাসির দাবির প্রেক্ষিতে এবং সংশ্লিষ্ঠদের নির্দেশনায় তিন ফিট উচ্চতা বাড়িয়ে সেতু নির্মান করা হচ্ছে।

সড়ক ও জণপদ বিভাগের নওগাঁ জেলা প্রকৌশলী হামিদুল হক বলেন,সড়কের সাথে মিল রেখে সেতু নির্মান হচ্ছে । এর চাইতে বেশি উঁচু করলে রাস্তা থেকে সেতুর উচ্চতা অস্বাভাবিক হবে। এতে যান চলাচল ঝুঁকিপূণ হবে। যদিও এখই নৌকা চলাচল বন্ধ হয়েগেছে তার পরেও ভারী বন্যা হলে ওই সেতুর বিকল্প হিসেবে অন্য সেতুর নিচ দিয়ে চলাচল করতে পারবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

বিস্তারিত
Theme Created By ThemesDealer.Com